
হ্যালো এভরিওয়ান, কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করছি ভাল আছেন . আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি রেসিপি শেয়ার করতে এসেছি. এই পিঠেটা আমি আমার মায়ের কাছ থেকে শিখেছি বানানোর. পিঠাটা খেতে অনেক বেশি মজা লাগে বিশেষ করে শীতকালে পিঠা খেতে অনেক মজা লাগে. পিঠাটা বানানো একদমই সহজ. মায়ের হাতে বানানো পিঠে যেন এক টুকরো ভালোবাসা আর যত্নের প্রতীক. মার হাতের পিঠে খেতে যেমন মধু তেমনি তার স্মৃতি গুলো আমাদের মনে চিরকাল থাকে. মার হাতে বানানো পিঠে যেন এক একটি কোমল স্মৃতি, যা আমাদের শৈশবের মধুর মুহূর্ত গুলোকে মনে করিয়ে দেয়.

মায়ের হাতের প্রতিটি পিঠে যেন মার ভালোবাসার অমিয়গন্ধ আর উষ্ণতায় ছোঁয়া, যা আমাদের হৃদয়কে সবসময় জড়িয়ে রাখে .পুলি পিঠা হলো একটি খুব জনপ্রিয় বাঙালি মুখ পরিচিত পিঠা. বাঙালির ঘরে ঘরে নিমন্ত্রণ নিয়েছে তাইতো পিঠা বানানোর ধুম পড়েছে বাঙালির ঘরে. পুলি পিঠা সাধারণত চালের আটা নারকেল আর দুধ দিয়ে তৈরি হয়. এটা বেশ মজা লাগে খেতে আর বিশেষ করে শীতকালে অনেকে পছন্দ করে এই পিঠাটা বানিয়ে থাকে. আমাদের গ্রামের বাড়িতে কিছুদিন পরপরই এই পিঠাটা বানানো হয়. এই পিঠাটা চাইলে আপনি দিয়ে খেতে পারেন অথবা গরম তেলে মুচমুচা করে ভেজে খেতে পারেন.

আমার কাছে পুলি পিঠার ভেতরের নারকেল গুড় দিয়ে যে পুরটা তৈরি করে এই পুর খেতে আমার ভীষণ পছন্দ. পুরটা তৈরি করে নারকেল কুঁড়ে তার মধ্যে গুড় দিয়ে এবং এলাচ দারচিনি দিয়ে খুব ভালো করে চুলার মধ্যে কড়াইয়ে ওইটা রান্না করে নেয়া হয় আগে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি গুলা এবং গুড়ের সাথে না মিশে যাচ্ছে নারকেলটা ততক্ষণে চুলায় ভাসতে থাকে .চালের গুড়ি লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিয়ে ভালো করে মেখে নিয়ে তারপর ছোট ছোট বাটির মধ্যে তৈরি করে তার মধ্যে নারকেলের পুরটা ভরে নিলেই হয়ে গেল পুলি পিঠা. পিঠার ডিজাইন টা আপনারা আপনাদের মতই পড়ে নিতে পারেন. আশা করব আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে.